Showing posts with label ফিচার. Show all posts
Showing posts with label ফিচার. Show all posts

Friday, September 3, 2021

পোস্ট আপনার, অশান্তি অন্যের!

পোস্ট আপনার, অশান্তি অন্যের!



Daily image bd.com

ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোন যতই হাতের নাগালে আসছে প্রিয়জন কিন্তু ততই দূরে সরে যাচ্ছে! এক সময় ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোন ছিল বিলাসী। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেটাই এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিণত হয়েছে। মানুষ একবেলা না খেয়ে থাকার কথা চিন্তা করতে পারে কিন্তু হাতের স্মার্টফোন এবং তার ইন্টারনেটহীনতা ভাবতেই পারেনা।


অনেকের কাছে ব্যাপারটা মাদকের মতোই নেশালু। ফলে দৈনন্দিন সকল খুঁটিনাটি তারা শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আর সেই সূত্র ধরে ছড়িয়ে যায় বিভিন্ন পরিবারে। একটা সময় মানুষের ঘরের গোপন খবর গোপন রাখাই নিয়ম ছিল। এমনকি পরিবারের বিশেষ করে যৌথ পরিবারের অন্য সদস্যদেরও জানাতে দ্বিধা বোধ করতো। পারিবারিক মান, অভিমান কিংবা ঝগড়া বিবাদ অথবা আনন্দ উৎসবই হোক না কেন তা একান্তই নিজেদের ভেতরই ছিল।



এখন মানুষ মান অভিমান করলে তার বিস্তারিত তুলে ধরেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ফলে অন্যেরা এমনকি অপরিচিতরা সেটা জানছেন। আবার সে মান ভাঙাতে হাজবেন্ড কি ‘উপহার’ দিলো সেটাও পরে শেয়ার করেন। কেউ হয়তো টাকা দিয়ে বানানো তোড়া উপহার দিচ্ছেন কেউবা হিরের দামি আংটি। ফলে একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েও আশা রাখেন তার মান ভাঙাতে তার স্বামীও তাকে এসব দেবেন।


কিন্তু আসলেই কি সেটা সম্ভব বা বাস্তব? ফলে এসব নিয়ে বাদানুবাদ আরও বেড়ে যায়। সাধারণ বিবাদ পৌঁছে যায় বিচ্ছেদ পর্যন্ত। অথচ যাদের বিবাদ নিয়ে এসবের সৃষ্টি তারা হয়তো সুখেই কাটাচ্ছেন সংসার। আবার বিবাহবার্ষিকী কিংবা জন্মদিনে স্ত্রী বা প্রেমিকাকে চমকে দিতেও অনেকে অনেক ধরনের আয়োজন করে থাকেন। এক শ্রেনীর মানুষ এসব দেখে মনে মনে সেরকম কিছু প্রত্যাশা করতে থাকেন। আর এসব প্রত্যাশা যখন পূরণ হয়না তখন একটা চাপা ক্ষোভ ভেতরে ভেতরে থেকে যায়, যা পরবর্তীতে বিস্ফোরণে রুপ নেয় অনেকের ক্ষেত্রেই।


তাই নিজেদের আনন্দঘন মুহূর্তের সকল ছবিই যে শেয়ার করতে হবে বিষয়টা সেরকম না। কিছু জিনিস একান্ত থাকাই শ্রেয়। আপনার প্রতি প্রিয়জনের আবেগের বহিঃপ্রকাশ হয়তো অন্যরকম, তাই অন্যের পোস্ট দেখে সেরকম কিছু আশা করাটাও কিন্তু ঠিক না। যদিও এটা যে যার জায়গা থেকেই অনুধাবন করা উচিত কিন্তু বর্তমান অস্থির সময়ে সে সময় আছে কার?



তাই যারা এসব পোস্ট শেয়ার করেন সচেতনতাটা সেখান থেকেই হওয়া জরুরি। কেননা আপনার সুখ যাতে অন্যের অসুখের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়। এখানে বলে রাখা ভালো, ফেসবুকে অনেকেই আছেন যারা অন্যের ছবি কপি করে নিজেদের বলেও চালিয়ে দেয়। অর্থাৎ ফেসবুকের বা অন্য সামাজিক মাধ্যমের সকল পোস্টই যে বাস্তবিক সেটা নাও হতে পারে। কিন্তু সে সচেতনতা তো আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সৃষ্টি করতে পারবেনা। সচেতন হতে হবে আমাদের, অর্থাৎ ব্যবহারকারীর। কেননা সামাজিক অবস্থান এবং ব্যক্তি ভেদে মানুষের অনুভূতির বা আবেগের প্রকাশ ভিন্ন হওয়াটা স্বাভাবিক। এমনকি একজন মানুষ চাইলেও তার আর্থিক দুর্বলতার কারণে অনেক কিছুই করতে পারেনা। আবার অনেকে এটাকেই অজুহাত মানেন। তাদের ভাষ্য, চাইলে যে কেউই অল্প অল্প সঞ্চয় করে প্রিয়তমাকে দামি গিফট করতেই পারে। তবে সেটাও কিন্তু সকল অবস্থায় সম্ভব নাও হতে পারে, পরিস্থিতির ভিন্নতায়। কিন্তু আমরা কি সেটা বুঝি?

Saturday, March 6, 2021

বিজলির আলোয় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বাহী কুপিবাতি

বিজলির আলোয় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বাহী কুপিবাতি

 বিদ্যুৎ মানুষের এক অনন্য আবিষ্কার। আর এই বিজলির আলো অর্থ্যাৎ বিদ্যুতের ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার হাতবাতি ও চুঙ্গা শিল্প। আঞ্চলিক ভাষায় এটি কুপিবাতি নামে বেশি পরিচিত। এক সময় কেরোসিনের হাতবাতি বা কুপিবাতি ছিল রাতের আঁধার নিবারণের একমাত্র অবলম্বন। আর এ বাতিতে কেরোসিন ঢুকানোর জন্য চুঙ্গা ছিল একমাত্র উপাদান।

প্রযুক্তি ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্তমানে গ্রামে লেগেছে শহরের ছোঁয়া। নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার প্রায় সব বাড়িতেই পৌছে গেছে বিদ্যুৎ, রাতে গ্রামের রাস্তার পাশে জ্বলছে ল্যাম্পপোস্ট।



এক সময় কুপিবাতির এই শিল্প ছিল লাভজনক। বাতি ও চুঙ্গা তৈরি করে অনেক পরিবার জীবিকা নির্বাহ করতো। টিন, কাঁচ, মাটি এই তিন উপাদান দিয়েই তৈরি করা যায় হাতবাতি। কাঁচের বাতি গুলোর দাম ছিল ৪০/৫০ টাকা, টিনের বাতিগুলোর দাম ছিল ২০/৩০ টাকা আর মাটির বাতিগুলোর দাম ছিলো ৫/১৫ টাকা। উপজেলার বিভিন্ন বাড়িতে তৈরি হতো এই শিল্প। এ উপজেলার হাত বাতি একসময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে নিয়ে যেতো। আর এ শিল্প এখন নেই বললেই চলে।

এক সময় বিদ্যুৎ চলে গেলেও হাত বাতি ও চুঙ্গার চাহিদা ছিল। তখন কিছু কিছু মানুষ এ পেশাকে আকড়ে ধরে সংসার চালাতো। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে অনেক সহজলভ্য ইলেকট্রিক উপকরণগুলো তৈরি করছেন। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইমারজেন্সি লাইট, চার্জার লাইট, এলইডি লাইট, আইপিএস, সোলার প্যানেলসহ বিভিন্ন উপকরণ। এগুলো বর্তমান বাজারে কম দামে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে। কারণ বিদ্যুৎ চলে গেলে মানুষ বিকল্প হিসেবে এসব জিনিস ব্যবহার করে থাকেন। যার ফলশ্রুতিতে কেরোসিনের হাতবাতি ও চুঙ্গার চাহিদা উদ্বেগজনক হারে কমে গেছে।

আগে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে সন্ধ্যা হলেই টিম টিম করে জ্বলতো কোরোসিন তেলের হাতবাতি। কিন্তু সময়ের সাথে এখন হাট বাজারে জ্বলে উঠে বিদ্যুৎতের আলো। তাই গ্রামের হাটবাজারগুলোতে এখন আর কেরোসিনের বাতি ও চুঙ্গা এখন আর চোখ পড়েনা। গ্রামের মানুষরা সামর্থ্য অনুযায়ী কুপি কিনে ব্যবহার করতেন। বাজারে সাধারণত দুই ধরনের কুপি পাওয়া যেত বড় ও ছোট। বেশি আলোর প্রয়োজনে কুপি বাতিগুলো কাঠ এবং মাটির তৈরি গছা অথবা স্ট্যান্ডের উপর রাখা হতো। এই গছা অথবা স্ট্যান্ডগুলো ছিল বাহারি ডিজাইনের। রূপসী-গ্রামবাংলা আপামর মানুষের কাছে কুপি বাতির কদর কমে গেলেও আবার কেউ কেউ এই কুপি বাতির স্মৃতি আঁকড়ে ধরে আছেন। আবার অনেকেই স্বযত্নে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের নিদর্শন স্বরূপ কুপি বাতি সংরক্ষণ করে রেখেছেন। কুপি বাতির ব্যবহার ও কদর যে হারে লোপ পাচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে এটি শুধুই স্মৃতি হয়ে থাকবে অথবা কোন এক যাদুঘরে সংরক্ষণ করে রাখা হবে আগামীর প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য।

Wednesday, March 3, 2021

সিভি লিখবেন যেভাবে

সিভি লিখবেন যেভাবে

 কথায় আছে, আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারি। অর্থাৎ বাহ্যিক সৌন্দর্য দ্বারাই মানুষ প্রথম আকৃষ্ট হয়। চাকরি প্রার্থীর সিভি বা জীবনবৃত্তান্তের ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রযোজ্য। যুতসই উপস্থাপন আর তথ্যবহুল সিভির কদর সর্বত্রই পাওয়া যায়। বিশেষ করে নিয়োগদাতাদের নজর কাড়তে ভালো সিভির জুড়ি মেলা ভার।

বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই সিভি লেখার বিষয়ে উদাসীন থাকে। অনেকেই আছেন, র্শটকাটে সিভি বানাতে দোকানের কমন ফরমেট ব্যবহার করেন। সেখানে থাকে রাজ্যের ভুল। কিন্তু মানসম্মত ও তথ্যবহুল সিভি বানাতে খুব বেশি কসরতেরও প্রয়োজন নেই। বেশকিছু টেকনিক্যাল ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করেই এটি তৈরি করা সম্ভব। তাহলে চলুন জেনে নিই, পূর্ণাঙ্গ সিভি লেখার কৌশল-

নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা

জীবনবৃত্তান্তের প্রথমে চাকরি প্রার্থীর পূর্ণ নাম লিখতে হবে। ডাকনাম বা ছদ্মনাম ব্যবহার করা উচিত নয়। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদপত্রে যে নাম লেখা হয়েছে সেটিই ব্যবহার করতে হবে। ঠিকানা লেখার ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। যোগাযোগের জন্য যে মোবাইল ফোন নম্বর সবসময় সচল থাকে সেটি দিতে হবে। একাধিক ইমেইল ঠিকানা থাকলেও চাকরিদাতারা বিরক্ত হন। ফলে সবসময় ব্যবহার হয় এমন একটি ইমেল ঠিকানায় সিভিতে উল্লেখ করতে হবে।

ছবির ব্যবহার

জীবনবৃত্তান্তে অবশ্যই সাম্প্রতিক সময়ে তোলা একটি ছবি সংযুক্ত করতে হবে। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে একাধিক কালার থাকা যাবে  না। তাছাড়া প্রার্থীর চেহারা স্পষ্ট বোঝা যায় এমন ছবি সিভিতে ব্যবহার করাই উত্তম। তবে অতিরিক্ত কিংবা ফেসবুকের ক্যাজুয়াল ছবি 
সিভিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। 

পেশাগত লক্ষ্য

জীবনবৃত্তান্তে পেশাগত লক্ষ্য ভালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে। সিভিতে ভাষার প্রাঞ্জলতাও থাকতে হবে। সঙ্গে সংক্ষিপ্ত  ও গোছানো ভাষায় পেশাগত লক্ষ্য সম্পর্কে বলতে হবে। এক্ষেত্রে বানান বা ব্যাকরণের কোনও ভুল হওয়া চলবে না। প্রার্থী যে পদে আবেদন করবেন সেই পদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পেশাগত লক্ষ্য লেখা বাঞ্ছনীয়। অনেকেই আজগুবি, অপ্রাসঙ্গিক বা অবাস্তব কথা বার্তা সিভিতে উল্লেখ করেন। এটি মোটেই উচিত নয়।

 শিক্ষাগত যোগ্যতা

সবশেষ একাডেমিক ডিগ্রির কথা প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে। তারপর উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাধ্যমিকের বিষয়ে লিখতে হবে। এক্ষেত্রে কোন বিভাগ, কোন অনুষদ, কত সালে পরীক্ষা হয়েছে এবং ফলাফল কেমন ছিলও সেটিও উল্লেখ করতে হবে। 

গবেষণামূলক কাজ

স্নাতকে অধ্যয়নকালীন কোনও গবেষণা বা রিপোর্ট প্রকাশিত হলে সেটি সিভিতে উল্লেখ করতে হবে। বিশেষ করে ইন্টার্নশিপ রিপোর্টের ব্যাপারে উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিলে তার সংক্ষিপ্ত তথ্য যুক্ত করলে চাকরিদাতাদের আকৃষ্ট করা সম্ভব। 

পেশাগত অভিজ্ঞতা

সাধারণত স্নাতকের শিক্ষার্থী বা সদ্য উত্তীর্ণদের সরাসরি কোনও পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকে না। কিন্তু যে পদে চাকরির জন্য আবেদন করছেন, সেখানে পদ সংশ্লিষ্ট জানাশোনা সম্পর্কে উল্লেখ করা উচিত। সেটা হতে পারে কোন মেলায় বিক্রয়কর্মী বা কল সেন্টারে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা। এছাড়াও চাকরির প্রয়োজন এবং শর্ত অনুযায়ী অভিজ্ঞতা থাকলে উল্লেখ জরুরি। 

স্বেচ্ছাসেবী কাজের বর্ণনা

আদর্শ জীবনবৃত্তান্তে স্বেচ্ছাসেবী কাজের বর্ণনা থাকে। কোনও সংগঠনে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে সিভিতে সেটি উল্লেখ করা উচিত। প্রয়োজনে প্রত্যেকটি কাজের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া উত্তম। 

প্রশিক্ষণ সম্পর্কে

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় যেসব কর্মশালা ও প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন সিভিতে সেসব উল্লেখ করা ভালো। কর্মশালার নাম ও আয়োজকদের সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করলে চাকরিদাতারা খুশি হন। তাই প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা কারা আয়োজন করেছে তাদের সম্পর্কে সিভিতে লিখতে হবে। 

ভাষাগত দক্ষতা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সাধারণত বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী হয়ে থাকেন। যে ভাষায় যেমন দখল রয়েছে তেমনই সিভিতে উল্লেখ করতে হবে। যেমন কেউ শুদ্ধ উচ্চারণে ইংরেজি ও বাংলায় কথা বলতে সক্ষম হলে চাকরিদাতাদের সেটি জানানো দরকার। যদি বিশেষ কোনও ডিগ্রি থাকে তাহলে সে বিষয়ও লেখা জরুরি। 

কম্পিউটারে পারদর্শিতা

কম্পিউটার ছাড়া বর্তমানে অফিস চিন্তাও করা যায় না। কাজেই চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কম্পিউটারে পারদর্শী হতে হবে। অফিসে লেখালেখির কাজের জন্য ওয়ার্ড ফাইল, হিসাবনিকাশের জন্য এক্সেল ও উপস্থাপনার কাজের জন্য পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করা হয়। এগুলো পরিচালনায় পারদর্শী হলে চাকরিদাতাদের অবশ্যই জানিয়ে দেয়া উচিত। এছাড়া টেকনিক্যাল কোনও সফটওয়্যার সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা থাকলে সেটিও উল্লেখ করতে হবে। 

রেফারেন্স দিতে হবে

সম্প্রতি যারা স্নাতক পাস করেছেন, তারা সিভিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় শিক্ষকদের রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করতে পারেন। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের নাম ও পদবী ব্যবহার করতে হবে। নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের চাকরিদাতারা সিভিতে রেফারেন্সে যার নাম দেখতে পান তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এছাড়া অন্য কোনও পেশার পরিচিত কোনও পেশাজীবীর নাম ও পদবীও উল্লেখ করা যায়। 

অঙ্গীকারনামা

সিভিতে দেয়া সব তথ্য নির্ভুল ও সঠিক সেটি বলে দিতে হবে। অঙ্গীকারনামার নিচে প্রার্থীর স্পষ্ট স্বাক্ষর থাকতে হবে। চাকরিদাতারা তথ্য যাচাই করার অধিকার রাখেন। তাই ভুল তথ্য দেয়া উচিত নয়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে ধরা পড়লে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান আইনানুগ ব্যবস্থাও নিতে পারে। সে কারণে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।