Daily ImageBD: শিক্ষা

সংবাদ শিরোনাম
লোডিং...
Menu
Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা. Show all posts

Sunday, September 26, 2021

The school affected by Corona will open tomorrow

The school affected by Corona will open tomorrow


Bidhan Chandra Roy, Jaldhaka (Nilphamari)

After a long year and a half of closure, the school was closed for two days on September 23 after three teachers of Chiravija Golna Bidirectional High School in Jaldhaka Upazila of Nilphamari were attacked by corona.

After inspecting the school, Jaldhaka Upazila Secondary Education Officer on Sunday directed to keep the school open from tomorrow.

As a result, there was a mixed process between the students and the parentsMom says you don't have to go to school for a few days. We want to go to school.

Parent Rubina Begum said, "We are happy to open the school after a long time. The children have forgotten everything in a year and a half. They don't understand anything except mobile and TV.

Al Hassan Jahed Nawruji, headmaster of Chira Vija Golna Bidirectional High School, said, "We were conducting classes in our school following proper health rules. Suddenly, three teachers were positive and corona was closed.

Talking to parents and students about the mixed process, he said, "I will tell parents, there is nothing to fear." Everything is normal. We have sanitized the whole school with disinfectant. If anyone is sick, let them know and tell them to stay at home.

Jaldhaka Upazila Secondary Education Officer Chanchal Kumar Bhowmik said that all the teachers and students there are still wellEven then, if there is any news of infection, further action will be taken subject to discussion.

Wednesday, March 31, 2021

সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি পেতে শিক্ষার্থীদের আবেদন ১৫ ই এপ্রিল পর্যন্ত

সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি পেতে শিক্ষার্থীদের আবেদন ১৫ ই এপ্রিল পর্যন্ত





সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির উপবৃত্তি পেতে শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ শুরু হচ্ছে। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এ উপবৃত্তি পেতে আবেদন করার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। এ লক্ষ্যে বৃত্তির আবেদনের ২টি ফরম প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আবেদন অগ্রায়ণ করা যাবে। 


এসব তথ্য জানিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির উপবৃত্তির আবেদন পাঠানোর অফিস আদেশ জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।    


জানা গেছে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, তফসিলী হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান, সশস্ত্র বাহিনী, প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির উপবৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দুটি ফরম প্রকাশ করা হয়েছে। ফরম সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বলা হয়েছে। উপবৃত্তির আবেদন করতে আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।


৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ফরম নম্বর-১ পূরণ করে উপবৃত্তির আবেদন করতে পারবে। আর একাদশ থেকে স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফরম নম্বর-২ পূরণ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। ১৫ এপ্রিলের পর আঞ্চলিক কার্যালয়ে কোন আবেদন ফরম করা হবে না। 


Tuesday, March 23, 2021

কৃষি ডিপ্লোমা পড়ে ক্যারিয়ার

কৃষি ডিপ্লোমা পড়ে ক্যারিয়ার

 শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম একটি ধারা হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা। কর্ম দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে পৃথিবীর সব দেশেই কারিগরি শিক্ষার ওপর যথেষ্ট জোর দেয়া হয়। দেরিতে হলেও আমাদের দেশে কারিগরি শিক্ষাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ২০০৮ সালে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তির হার ছিল ১ দশমিক ২ শতাংশ। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ। ২০২০ সালের মধ্যে এ হার ২০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, ২৩টি আন্তর্জাতিক মানের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হচ্ছে। বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন আরও এক লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


একজন শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল থাকা সত্ত্বেও চাকরির বাজারে সাফল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয় শুধু কর্মনির্ভর শিক্ষার অভাবে। অনেক সময় বেকারত্বের অভিশাপও বরণ করতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা যেভাবে বাড়ছে একইভাবে বাড়ছে উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার অসংখ্য সুযোগ। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে দেশে বা দেশের বাইরে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাচ্ছে। এ সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন সঠিক ক্যারিয়ার পরিকল্পনা। শিক্ষার্থীদের এ পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে কর্মমুখী শিক্ষা। আর কর্মমুখী শিক্ষার মধ্যে সবচেয়ে যুগান্তকারী উন্নয়ন ঘটেছে কারিগরি শিক্ষায়।

কৃষি ডিপ্লোমা কি
কর্মমুখী শিক্ষার অন্যতম একটি ধারা হচ্ছে কৃষি ডিপ্লোমা। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ সামান্যই। আর এমনই সীমিত সম্পদ দিয়ে বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য সমস্যা মেটানোর জন্য উন্নত যেসব ফলনশীল শস্য আর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন কৃষিবিজ্ঞানী ও কৃষিবিদরা, সেগুলোই কৃষকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা।

আবার নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে কৃষকের সুবিধা-অসুবিধা এবং চাহিদার তথ্য পৌঁছে দিচ্ছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তাই নিজের ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি কৃষিতে ডিপ্লোমাধারীদের রয়েছে দেশের উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ। চাকরি করা ছাড়াও নিজ উদ্যোগে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুবিধা তো আছেই। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের তথ্যানুযায়ী কৃষি ও মৎস্য সেক্টরে প্রশিক্ষিত জনসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৩টি সরকারি ও ১০১টি বেসরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রয়েছে সারাদেশে। এগুলোতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে দুই রকম। মুখোমুখি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় ইনস্টিটিউটে থেকে পড়াশোনা করতে হয়। আর চাকুরিজীবীদের জন্য দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে সেমিস্টার সিস্টেমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যবহারিক ক্লাস হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে সপ্তাহে একটি ক্লাস ও পরীক্ষায়ই অংশ নিতে হয় শুধু। এই পদ্ধতিতে পড়তে পারবে শুধু চাকুরিজীবীরা। অন্যান্য ডিপ্লোমার ন্যায় এ কোর্সটিও ৪ বছরের। কোর্সটি সম্পন্ন করতে মোট ৮টি সেমিস্টার পড়তে হবে। প্রতি সেমিস্টারের মেয়াদকাল ছয়মাস। এসএসসির পর ডিপ্লোমা কোর্সটি সম্পন্ন করলে কৃষি শিক্ষার শিক্ষক হিসেবে সরাসরি বিএড ডিগ্রিধারীগণের সমান বেতন স্কেল পাবেন। অন্যান্য চাকুরীর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শ্রেণীর সমমর্যদা পাওয়া যেতে পারে।

কাজের ক্ষেত্র
কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা কোর্স শেষ করে যেকোনো শিক্ষার্থী কৃষি, মাছের চাষ ও পশুপালনের জন্য কাজ করে এমন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারেন। এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে কৃষি শিক্ষার শিক্ষক হিসেবে যোগদান, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনে উপসহকারী পরিচালক পদে, উপসহকারী কৃষি কর্মকতা পদে ও বিভিন্ন কৃষি নিয়ে কাজ করে এমন এনজিওগুলোতে কাজের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। কৃষি, পশুপালন ও মৎস্য চাষের ওপর ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্নকারীরা কোটাভিত্তিক এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন, মৃত্তিকা গবেষণা কেন্দ্র, ধান গবেষণা কেন্দ্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়েও এখান থেকে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীদের কাজের সুযোগ রয়েছে।

গোয়াইনঘাট উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয়নুর রশিদ জানালেন, ‘আমি জৈন্তাপুরের তৈয়ব আলী কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা করার পরপরই এখানে চাকরি পেয়েছি। এ ছাড়া বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান কৃষি বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালিত করায় আমাদের এখন কাজের ক্ষেত্র অনেক বেশি।’

কী পড়ানো হয়
বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সহ এখানে চার বছরে আটটি পর্বে পড়ানো হয় পরিবেশ বিদ্যা, মাছের চাষ, গৃহপালিত পাখি পালন, মাঠ ফসলের চাষাবাদ, চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনা, উদ্যান নার্সারি ব্যবস্থাপনা, হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা, মাছের পুষ্টি ও খাদ্য ইত্যাদি বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে পড়ানো হয়ে থাকে।

এসএসসি পাসের পর যাঁরা ভাবছেন কোনো বিষয়ে ডিপ্লোমা করবেন, তাঁদের জন্য বলছি, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলো থেকে কৃষি, মৎস্য চাষ ও পশুপালনের ওপর আপনি ডিপ্লোমা করতে পারেন। এ বিষয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্নকারীদের কাজ সরাসরি মাটি ও মানুষের সঙ্গে। ফলে দেশের কৃষি উন্নয়নে অবদান রাখা যায় অনেকাংশে। এর মধ্য দিয়ে নিজের আত্মতৃপ্তিটাও বেশি পাওয়া যায় দেশের উন্নয়নে কাজ করে।  

ভর্তির যোগ্যতা ও খরচাপাতি
এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ থাকতে হবে ২.৫ এবং আলাদাভাবে গণিতে ও বিজ্ঞানে ৩.০০ থাকতে হয়। যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি পাস বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এখান থেকে ডিপ্লোমা করার জন্য আবেদন করতে পারেন। সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোতে চার বছরে শিক্ষা খরচ হবে সব মিলিয়ে ২০ হাজার টাকার মত। আর বেসরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোতে ইনস্টিটিউট ভেদে খরচ কমবেশি হতে পারে।

Saturday, March 6, 2021

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জুনে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জুনে

 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির জন‌্য অনলাইন ফরম বিতরণ আগামী ৮ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত চলবে। প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে ২৮ জুলাই।

আজ শুক্রবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে প্রথম বর্ষ স্নাতক ও প্রফেশনাল শ্রেণীতে ভর্তির তারিখ ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রথম বর্ষ প্রফেশনাল কোর্সের ফরম বিতরণ চলবে ২৩ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত। ১২ আগস্ট থেকে প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস শুরু হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে আজ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

করোনাকালের ১০ মাসের সেশনজট কমিয়ে আনতে বিশেষ একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের বিষয়েও সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions) বিস্তারিত পাওয়া যাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


Friday, March 5, 2021

অনুদানের নামে প্রতারণা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্তকতা

অনুদানের নামে প্রতারণা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্তকতা

 




শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনুদান দেয়ার নামে এক শ্রেণির প্রতারক চক্র ব্যক্তিগত ও গোপন তথ্য সংগ্রহ করে প্রতারণা শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিচয় দিয়ে এসব তথ্য নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এসব তথ্য জানিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) একটি সর্তকতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২০-২১ শিক্ষা অর্থবছরে বিশেষ অনুদান খাতে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের অনুদান প্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারক চক্র ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল ফোনে জাতীয় পরিচয়পত্র, বিকাশ নম্বর ও গোপন পিন ইত্যাদি চাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিচয় দিয়ে ফোনগুলো করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ অনুদান বিষয়ে ইতোপূর্বে কাউকে ফোন দেয়া হয়নি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, বিকাশ নম্বর ও গোপন পিন সংক্রান্ত কোনো তথ্যও চাওয়া হয়নি। এ বিষয়ে প্রতারক চক্র হতে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে শিক্ষকরা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানিয়েছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,শিক্ষক কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ অনুদান প্রদানের বর্ধিত সূচি প্রকাশের পর গুজব রটেছে,সরকার করোনার জন্য শিক্ষার্থীদের ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার করে টাকা দিচ্ছে। আর শিক্ষার্থীরা এই গুজবে কান দিয়ে আবেদনের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রত্যয়ন পত্রের জন্য ছুটাছুটি করছে। যারাই এই গুজব শুনেছে তারা সবাই এটা বিশ্বাস করে অনলাইনে আবেদন করছে। ফটোকপি দোকানদাররা এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে। 

জানা গেছে, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের টাকা বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের এ টাকা পেতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদনের সময় দেয়া হলেও সে সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৭ মার্চের মধ্যে বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের টাকা পেতে আবেদন করতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

জানা গেছে,  ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশেষ মঞ্জুরির টাকা বিতরণে ইতোমধ্যে নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বিশেষ মঞ্জুরীর টাকা পেতে আবেদন করতে হবে।  

সরকারি এবং বেসরকারি এমপিওভুক্ত ও ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা, দৈব দুর্ঘটনা এবং চিকিৎসার খরচের জন্য বিশেষ মঞ্জুরির অনুদান প্রাপ্তির আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী, অসহায়, অস্বচ্ছল ও মেধাবী, অনাগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অগ্রধিকার পাবেন।

এছাড়া দেশের সব স্বীকৃতি প্রাপ্ত বা এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার, আসবাব পত্র তৈরি, খেলাধুলার সরঞ্জাম ক্রয়, পাঠাগার উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বান্ধব করার জন্য বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের আবেদন করা যাবে। তবে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনাগ্রসর এলাকার অস্বচ্ছল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে।

আর বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য মঞ্জুরির আবেদন করতে পারবেন। 

অনুদানের টাকা পেতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক কর্মচারী বা শিক্ষার্থীদের আগামী ৭ মার্চের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইট থেকে (www.shed.gov.bd) অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদানের আবেদন ফরম’ বাটনে ক্লিক করে অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছে। 

অনুদান পেতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের আর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন পত্র আবেদনে সংযুক্ত করতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ক্যাটাগরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে ডাক্তারি সনদ ও দৈব দুর্ঘটনার স্বপক্ষের প্রমাণ সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুদানের আবেদনের ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটির প্রত্যয়ন সংযুক্ত করতে হবে। 

শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অনুদান বাবদ বরাদ্দের টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠানো হবে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বরাদ্দের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। 

মাদ্রাসার বাংলা,অংক ও ইংরেজি খাতা দেখবেন স্কুল শিক্ষকরা

মাদ্রাসার বাংলা,অংক ও ইংরেজি খাতা দেখবেন স্কুল শিক্ষকরা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মাদ্রাসার বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার বাংলা, গণিত এবং ইংরেজি বিষয়ের খাতা অন্য শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ শিক্ষকদের দিয়ে মূল্যায়ন চায় সংসদীয় কমিটি। মাদ্রাসা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে কমিটির পক্ষ থেকে এ সুপারিশ করা হয়। 

এদিকে বৈঠকে কমিটির মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ সকল মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন নিশ্চিত করতে সুপারিশ করেছে।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি আ, স, ম, ফিরোজের সভাপতিত্বে অংশ নেন মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ন চন্দ্র চন্দ, মাহবুব উল আলম হানিফ, মুহিবুর রহমান মানিক এবং নাহিদ ইজাহার খান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য সরকার অনেক টাকা খরচ করে কিন্তু কাঙ্খিত ফল দেখা যাচ্ছে না। তাদের শিক্ষার গুণগতমান প্রত্যাশিত মাত্রায় অর্জিত হয় না। আলিয়া মাধ্যম থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে ভূমিকা রাখতে দেখা যায় না। এ কারণেই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের খাতা অন্য কোন মাধ্যমের শিক্ষকদের মূল্যায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। এটা করা সম্ভব হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা চাপ থাকবে এবং তারা নিজেদের গুণগত মান উন্নত করার চেষ্টা করবে। 

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনেক শিক্ষকদের মধ্যে নিজেদের চাকরির স্বার্থে শিক্ষার্থীদের পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এটা হলে এই সুযোগ তারা পাবে না।

সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাদ্রাসার প্রাত্যাহিক কাজ শুরু করার আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন বাধ্যতামূলক করার জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে।

সকল মাদ্রাসা বলতে কওমি মাদ্রাসাও অন্তর্ভুক্ত কিনা জানতে চাইলে আ স ম ফিরোজ বলেন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেক সময় জাতীয় পতাকা পরিবেশ উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করতে দেখা যায় না। এটা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। কেবল মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে। কওমি মাদ্রাসার বিষয়টি এখানে আসেনি বলেও জানান তিনি। বৈঠকে যেকোন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার আগে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন নেয়ার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে মাদ্রাসার সিলেবাস ও কারিকুলাম আধুনিকায়ণ; মাদ্রাসার পরীক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়ণ ও নকল প্রতিরোধে ব্যবস্থাসমূহ; উগ্র সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে মাদ্রাসা শিক্ষক-ছাত্রছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ; মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি, গভর্নিং বডি, নির্বাহী কমিটি, এডহক কমিটি গঠন প্রক্রিয়া ও কমিটি সংক্রান্ত উদ্ভূত জটিলতা নিরসন; মাদ্রাসার অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ/সুপার/শিক্ষক/কর্মচারী নিয়োগ পদ্ধতি; প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বৈঠকে গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নে স্থানীয় সংসদ-সদস্যের সুপারিশ গ্রহণের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ এবং এডহক কমিটি গঠনের প্রবণতা বন্ধ করার জন্য কমিটি সুপারিশ করে। বৈঠকে প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে সকল প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।

Thursday, March 4, 2021

 শিক্ষা অনুদানের অনলাইন আবেদন সময়সীমা বর্ধিত করণ

শিক্ষা অনুদানের অনলাইন আবেদন সময়সীমা বর্ধিত করণ

বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের অনলাইন আবেদন সময়সীমা আগামী ০৭ মার্চ ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধিত করা হয়েছে।  


উল্লেখ্য যে, মধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক অনুদান প্রদানের লক্ষ্যে গত ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ হতে আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। 


তাই যারা এখন পর্যন্ত আবেদন করে নাই, তারা আগামী ০৭ মার্চ ২০২১ তারিখ পর্যন্ত মধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা  বিভাগের ওয়েব সাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন দাখিল  করতে পারবে। 


উল্লেখ্যঃ

১.স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যায়ন পত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যায়নপত্র সংযুক্ত করতে পারবে।

২.শিক্ষক কর্মচারী ক্যাটাগরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে চিকিৎসা চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় ডাক্তারী সনদ এবং দৈব দূর্ঘটনার স্বপক্ষে প্রমানপত্র অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে। 

৩.শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদনের ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটির প্রত্যায়ন পত্র অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে।

 


 

কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের শিক্ষাবৃত্তির আবেদনের সময় বর্ধিতকরন

কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের শিক্ষাবৃত্তির আবেদনের সময় বর্ধিতকরন





বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের শিক্ষাবৃত্তির আবেদনের সময় বর্ধিতকরন ও আবেদন করার নিয়মাবলি সংশোধন করা হয়েছে। 

২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য (১) সরকারের অসামরিক খাতের ১১-২০ গ্রেডের কর্মরত কর্মচারীর (ডাক,তার ও দূরআলাপনী, বাংলাদেশ রেলওয়ে,বিজিবি ও বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগে নিযুক্ত কর্মচারীগন ব্যাতীত) ও বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান বোর্ডের তালিকাভূক্ত সায়ত্বশাসিত সংস্হায় কর্মরত (১১-২০) গ্রেড কর্মচারীর সন্তানদের "শিক্ষা বৃত্তি" ২ সরকারী ও বোর্ডের তালিকাভূক্ত স্বায়ত্বশাসিত সংস্হার অক্ষম অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত কর্মচারীর সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন আহবান করা হয়।আবেদনকারীদের সুবিধার্থে আবেদনের সময়সীমা ৩১ শে মার্চ ২০২১ পর্যন্ত বর্ধিত করণ আবেদনের শর্ত ও নিয়মাবলি সংশোধন করা হয়েছে। আবেদনের সংশোধিত শর্ত ও নিয়মাবলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bkkb.gov.bd) প্রকাশিত হয়েছে। 

Wednesday, March 3, 2021

৪১ তম বিসিএস পরীক্ষা যথাসময়ে হবে

৪১ তম বিসিএস পরীক্ষা যথাসময়ে হবে

 

১৯ মার্চ এই পরীক্ষা নেওয়ার দিন ধার্য করেছে পিএসসি। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৭৫ হাজার জন।

২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এতে বিভিন্ন পদে ২ হাজার ১৩৫ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এই ক্যাডারে ৯১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে বিসিএস শিক্ষায় প্রভাষক ৯০৫ জন, কারিগরি শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক ১০ জন নেওয়া হবে। শিক্ষার পরে বেশি নিয়োগ হবে প্রশাসন ক্যাডারে।

প্রশাসনে ৩২৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশে ১০০ জন, বিসিএস স্বাস্থ্যে সহকারী সার্জন ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ৩০ জন নেওয়া হবে। পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক হিসেবে ৮ জন নেওয়া হবে। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০ জন, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) হিসেবে ৩ জনকে নেওয়া হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে বিসিএস জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে সহকারী প্রকৌশলী ৩৬ জন, সহকারী বন সংরক্ষক ২০ জন।


হকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল পদে ২ জন, বিসিএস মৎস্যে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৬ জন, বিসিএস বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক ৪ জন। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ৪ জন, বিসিএস খাদ্যে সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) হিসেবে ১৫ জন কর্মকর্তাকে এই বিসিএসে নিয়োগ দেওয়া হবে।